বিশ্বের প্রথম লাইব্রেরির ধারণা শুরু করা হয়েছিল প্রাচীন মিশরে। তখন উপাসনার পাশাপাশি তাত্ত্বিক আলোচনা বা জ্ঞান প্রসারের জন্য পুরোহিতদের নিজেদের প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস বা তথ্য সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিখ্যাত গ্রন্থাগারসমূহের মধ্যে প্রথমেই আসে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার ‘লাইব্রেরি অব কংগ্রেসে’র নাম৷ আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত এই লাইব্রেরিতে রয়েছে ৩ কোটি ২০ লক্ষ বইয়ের এক বিশাল সমাহার৷ লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামও পৃথিবীর বিখ্যাত লাইব্রেরির মধ্যে অন্যতম৷ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বডলিন লাইব্রেরি’তে রয়েছে ১ কোটিরও বেশি গ্রন্থ। এছাড়া পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরির মধ্যে রয়েছে ‘ভ্যাটিকান লাইব্রেরি’৷ এ ছাড়াও ফ্রান্সের বিবলিওথিক লাইব্রেরি, মস্কোর লেনিন লাইব্রেরি ও কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরি উল্লেখযোগ্য৷ মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরিও পৃথিবীর প্রাচীন লাইব্রেরির মধ্যে অন্যতম যা এক সময় পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের মধ্যেও ছিল৷ ১৯০৯ সালে চীনের বেইজিংয়ে স্থাপিত হওয়া ২ লক্ষ ৮০ হাজার বর্গ মিটার জুড়ে অবস্থিত চীনের জাতীয় লাইব্রেরী এশিয়ার বৃহৎ ও বিখ্যাত যার মধ্যে রয়েছে ৪১ মিলিয়নেরও বেশি বিভিন্ন স্বাদের বই এবং প্রায় ১২ লক্ষ সাময়িকী অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে৷ এই ন্যাশনাল লাইব্রেরি হচ্ছে একটি প্রধান গবেষণা এবং পাবলিক লাইব্রেরি, যেখানে ১২৩টি ভাষায় আইটেম রয়েছে এবং বিভিন্ন ফর্ম্যাটে মুদ্রণ এবং ডিজিটাল উভয় মাধ্যমে রয়েছে বই, পাণ্ডুলিপি, জার্নাল, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, সাউন্ড এবং মিউজিক রেকর্ডিং, ভিডিও, প্লে-স্ক্রিপ্ট, পেটেন্ট, ডাটাবেস, মানচিত্র, স্ট্যাম্প, প্রিন্ট, অঙ্কন।